১লা ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ

ইউক্রেনে শান্তি প্রতিষ্ঠায় দ্বিপাক্ষিক আলোচনার প্রস্তাব পুতিনের

ইউক্রেনে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তিনি জানিয়েছেন, ইস্টার উপলক্ষে একদিনের যুদ্ধবিরতির পর তিনি নতুন করে যুদ্ধবিরতি বিষয়ে আলোচনা করতে প্রস্তুত।

পুতিন বলেন, শনিবার ঘোষিত ৩০ ঘণ্টার একতরফা যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর যুদ্ধ ফের শুরু হয়েছে। উভয় পক্ষই একে অপরকে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগে দায়ী করছে।

রুশ রাষ্ট্রীয় টিভিতে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পুতিন বলেন, “মস্কো সবসময় শান্তি আলোচনার পক্ষে এবং আমরা আশা করি কিয়েভও একই মনোভাব পোষণ করবে।”

জেলেনস্কির প্রস্তাবিত ৩০ দিনের যুদ্ধবিরতি সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে পুতিন বলেন, “এটি সতর্কভাবে বিবেচনা করার বিষয়, সম্ভবত দ্বিপাক্ষিক আলোচনা হতে পারে। আমরা এই প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করছি না।”

পুতিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ পরে নিশ্চিত করেন, প্রেসিডেন্ট পুতিন ইউক্রেনের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার সম্ভাবনার কথাই বলেছেন।

অন্যদিকে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বেসামরিক স্থাপনার সুরক্ষার জন্য যুদ্ধবিরতির মেয়াদ ৩০ দিন বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, যিনি দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আছেন, তিনি ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান ঘটানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। রাশিয়ার অবস্থানের প্রতি মনোযোগ দিয়ে তিনি মার্কিন নীতিতে কিছুটা পরিবর্তন এনেছেন, যদিও মস্কোর কাছ থেকে বড় কোনো ছাড় পাননি।

রাশিয়া গত মাসে ট্রাম্পের পূর্ণ ৩০ দিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিল, যদিও ইউক্রেন তাতে সম্মত ছিল। পরে সৌদি আরবের মাধ্যমে উভয় পক্ষের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা হয়, যার ফলে রাশিয়া ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলায় কিছুটা বিরতি দেয়। তবে পরে আবারও উভয় পক্ষই একে অপরকে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগে অভিযুক্ত করে।

তথ্যসূত্র: আরব নিউজ