
নিজস্ব প্রতিবেদক
রবিবার ৮ জুলাই দুপুরে রায়পুর উপজেলা বিএনপি সদস্য সচিব শফিকুর রহমান ভুইয়ার নিজস্ব অফিস উদ্বোধন করেন লক্ষ্মীপুর ২ আসনের সাবেক এমপি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূঁইয়া। এ সময় বিএনপি অসংখ্য নেতা কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কোরআন তেলাওয়াত ও মুনাজাত পরিচালনা করেন রায়পুর পর বিএনপির আহ্বায়ক সাবেক মেয়র এবিএম জিলানী, এ সময় উপস্থিত ছিলেন রায়পুর পৌর বিএনপি’র সদস্য সচিব শফিকুল আলম আলমাস, বিএনপি নেতা আবু জাহের, স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায় ফয়সাল, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি সুজন পাটোয়ারী, বিএনপি নেতা বাচ্চু, লন্ডন প্রবাসী আমিন ভূঁইয়া সহ বিএনপি অন্যান্য ইউনিটের সকল নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আবুল খায়ের ভুঁইয়া আলোচনা কালে বলেন, দলের সবাইকে মেধা বোধ ভুলে গিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে সবাইকে একসাথে দলের জন্য আগামী নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন, বিএনপির জনপ্রিয়তা দেখে কয়েকটি মহল ষড়যন্ত্রে লিপ্ত, আপনারা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে নিয়ম তান্ত্রিকভাবে কোন বিশৃঙ্খলা না করে ঐক্যবদ্ধভাবে সকল ষড়যন্ত্রে মোকাবিলা করতে হবে।
পিআর পদ্ধতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একটি মহল নির্বাচনে বিশৃঙ্খলার ষড়যন্ত্র লিপ্ত।
বাংলাদেশে পিআর (প্রোপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন) পদ্ধতিতে নির্বাচন দেওয়ার প্রস্তাবকে ‘দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির ষড়যন্ত্র’ বলে আখ্যা দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ও লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আবুল খায়ের ভুঁইয়া।
আবুল খায়ের ভুঁইয়া আরও বলেন, ১৬-১৭ বছর আন্দোলন করতে গিয়ে বিএনপির বহু নেতাকর্মী শহীদ ও আহত হয়েছেন। স্বৈরশাসকের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দল বিএনপি। কেউ যদি কাল্পনিক দাবি তুলে দেশের গণতন্ত্রকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়, তাদের সেই সুযোগ নেই।
তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানসহ সবাইকে উদ্ভট ও কাল্পনিক চিন্তা থেকে বের হয়ে আসতে হবে।
দেশের মানুষ যে পদ্ধতিতে নির্বাচন করে, সেটিই স্বচ্ছ, নিরাপদ এবং মানুষ যাতে নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে, তার জন্য অবিলম্বে নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণা করতে হবে।
গণতন্ত্রের প্রশ্নে বিএনপির অবস্থান তুলে ধরে খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা বলেন, এই দেশের মানুষ খালি হাতে রাস্তায় বুক পেতে দিতে পারে। তাদের ভয়ভীতি দেখানোর কোনো কারণ নেই। গণতন্ত্রের জন্য বেগম খালেদা জিয়া বিনা অপরাধে দীর্ঘদিন কারাবরণ করছেন। তারেক রহমান শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সন্তান আরাফাত রহমান কোকোকে নির্যাতনের মাধ্যমে হত্যা করা হয়েছে। বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি নির্যাতনের শিকার হয়েছে জিয়া পরিবার।





